তথ্যপ্রযুক্তি খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি ড্যাফোডিল কম্পিউটারস পিএলসির শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২২ দশমিক ২০ শতাংশ। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের দর কমার শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। সপ্তাহ শেষে শেয়ারটির দর ৩৬ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে, আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ৪৬ টাকা ৪০ পয়সা।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের শেয়ারদর নিম্নমুখী। সেদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৫৯ টাকা ৯০ পয়সা। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার শেয়ারটির দর কমে ৩৬ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৯০ পয়সায়। ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২৯ ডিসেম্বর বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ নভেম্বর।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ২৪ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ইপিএস হয়েছে ৫৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৪৯ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের ইপিএস হয়েছে ৬৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৫৩ পয়সায়।
ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি টু’। কোম্পানিটির ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড।
২০০৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ড্যাফোডিল কম্পিউটার্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৯ কোটি ৯১ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৯৯ লাখ ১২ হাজার ২৬২। এর ৪১ দশমিক ৪০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬ দশমিক ১২, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২২ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।